এই pdf বই সম্পর্কিত অভিযোগ/পরামর্শের জন্য, অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন
{getToc} $title={এই পোস্টে আছে....} $count={true}
মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল pdf ডাউনলোড লিংক
মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল pdf Download বইটি আপনারা সম্পুর্ন ফ্রীতে “ ই-বুক মহল ” থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। আমরা অধ্যাপক মোঃ শহীদুল্লাহ এর বইটির পিডিএফ (pdf) সংস্করন সংগ্রহ করেছি এবং তাহা আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমরা বইটির দুইটি ভার্সন করেছি একটি হাই রেজুলেশন এবং অন্যটি নরমাল রেজুলেশনের যার যেই ফাইলটি ভালো লাগে ডাউনলোড করবেন। নিচে ২টি ফাইলের লিংক দেওয়া হয়েছে। নিচের ডাউনলোড করুন বাটনে ক্লিক করে বইটি ডাউনলোড করুন।
ডাউনলোড করুন (NON HD)মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল pdf বই থেকে নমুনা পাঠ্য
শিক্ষার্থী মেধাবী হোক বা দুর্বল হোক পড়াশোনা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই। অনেক সমস্যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে, আবার অনেক সমস্যা সমাধানের জন্য তার সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। কিছু সমস্যা যেমন অসচেতনতা প্রসূত, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও বটে। সমস্যাগুলো পারিবারিক কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে। এমন সব ধরনের সমস্যা সমাধানের কৌশলগুলো নিয়েই এই বইটিকে সাজানো হয়েছে। শিক্ষার্থীর যাবতীয় দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা, অধিক সচেতনভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এবং ভাল ফলাফল করার ক্ষেত্রে সবসময় এই বইটি সহযোগিতা দেবে। বইটি সকল শ্রেণীর সকল ধরনের শিক্ষার্থীর জন্যই প্রযোজ্য।
একজন শিক্ষার্থীর নিজের দক্ষতা ও দুর্বলতাগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানা চা- ই। জানা চা-ই তার আরো কি কি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মেধাবীদের কোন কোন গুণ তার মাঝে রয়েছে কিংবা নেই এবং যে গুণগুলো নেই সেগুলো কিভাবে অর্জন করতে হবে তাও জানা চা-ই। তার পর জানা দরকার নিজের যে সব সমস্যা রয়েছে সেগুলো কোন ধরনের। সমস্যাগুলোর মধ্যে কোনগুলো পারিবারিক, কোনগুলো প্রাতিষ্ঠানিক, কোনগুলোইবা ব্যক্তিগত বা মানসিক। নিজের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সমস্যার ধরন
অনুযায়ী সঠিক উপায় অবলম্বন করা দরকার। এই সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে একটা নির্দিষ্ট ধারাক্রমে এই বইয়ের অধ্যায়গুলো সাজানো হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় বইটির প্রথম পর্যায়ে ৮টি অধ্যায়ে নিজের সম্পর্কে ভুল ধারণা অপসারণ, নিজের সচেতনতা পরিমাপ করার উপায়, মেধাবী হবার পথে বাধাসমূহ এবং সফলতার জন্য খুবই দরকারী বিষয়গুলো সর্ম্পকে জানানো হয়েছে। এতে একজন শিক্ষার্থী তার নিজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যেমন সচেতন হবে, তেমনি তার কী কী বিষয়ে দুর্বলতা রয়েছে তাও জানতে পারবে।
পরবর্তী ৮টি অধ্যায়ে অধ্যয়নের পরিকল্পনা, অধ্যয়নের বিভিন্ন কৌশল,
অধ্যয়নের পরিবেশ, ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার উপায়, ভাল নোট করা, এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে একজন শিক্ষার্থী তার সারাবছরের পড়াশোনার জন্য সঠিক পরিকল্পনা কিভাবে গ্রহণ করবে তা যেমন জানতে পারবে, তেমনি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নানা ধরনের কৌশল অবলম্বনের পাশাপাশি নানা বিষয়ে সতর্কও হতে পারবে। এ সব কৌশল ও সতর্কতা অবলম্বন করলে ও সারাবছর তা মেনে চললে তার বছর শেষের ফলাফল অবশ্যই ভাল হবে বলে আশা করা যায়।
পড়াশোনার সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এবং তা মেনে চলতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা অনেক ধরনের মানসিক সমস্যায় পড়ে, যা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে যে সব মানসিক সমস্যা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সে সব সমস্যার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ক্ষতিকর প্রভাব এবং এদের সমাধানের বৈজ্ঞানিক উপায় জানানো হয়েছে পরবর্তী ১৪টি অধ্যায়ে। এসব অধ্যায় নর্দিষ্ট মানসি পাঠের ভেতর দিয়ে একজন শিক্ষার্থী তার নির্দিষ্ট মানসিক সমস্যা সম্পর্কে যেমন জানতে পারবে, তেমনি সমস্যা সমাধানের উপায় জেনে নিয়ে তা কিভাবে অনুশীলন করতে হবে তাও জানতে পারবে। এতে ক্রমশ সে যেমন মানসিক সমস্যা কাটিয়ে ওঠবে, তেমনি হয়ে উঠবে পূর্বের চেয়ে অধিক দক্ষ, পরিশ্রমী, মনোযোগী ও অধিক স্মৃতিশক্তির অধিকারী।
সবশেষে কয়েকজন সফল শিক্ষার্থীর সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে রচিত একটি অধ্যায় রয়েছে। এ অধ্যায় থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীরা বাস্তবে কিভাবে পড়াশোনা করেছে তাও জেনে নিজের অবস্থা আরো ভাল করার জন্য উৎসাহ পাবে।
বইটির এই চারটি ভাগ পর্যায়ক্রমে পাঠ শেষে অবশ্যই একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি একে একে নিজের ভুল ধারণা কাটিয়ে ওঠা, নিজের ত্রুটি দূর করা, বিভিন্ন বিষয়ে দিন দিন অধিক ভাল করা, সবশেষে পরীক্ষায় সফলতা অর্জন করার কৌশলগুলো জেনে যাবেন।
এবার আপনার কাজ হল বই থেকে যা জানলেন, শিখলেন তা নিজের শিক্ষা জীবনে প্রয়োগ করা ও সবসময় এই চর্চা চালিয়ে যাওয়া। কেবল তাহলেই আমরা বলতে পারবো একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনার শিক্ষাজীবনে সফলতা আসবেই।